বিদায়ের ছায়ায় স্মৃতির আড্ডা
টোলপ্লাজার দিনগুলো যেন এখনো চোখের সামনে ভেসে ওঠে। জীবনের প্রথম কর্মক্ষেত্র, প্রথম অভিজ্ঞতা, প্রথম আপনজনের মতো প্রিয় সহযাত্রী—সব মিলেই ছিল এক অমূল্য অধ্যায়। আমি ছিলাম সবার ছোট্ট, আর তাই হয়তো সবার স্নেহ আমাকে আরও আলাদা করে ঘিরে রেখেছিল। স্মৃতির পাতায় এখনো উজ্জ্বল হয়ে ওঠেন নাসিম স্যার, ইঞ্জিনিয়ার ওবায়দুল স্যার তাঁদের আন্তরিক হাসি আর অনুপ্রেরণার হাতছানি। সহকর্মীদের ভিড়ে সবুজের প্রাণখোলা হাসি, নয়ন ভাইয়ের ভরসাময় উপস্থিতি, রাফসানের সরলতা আর আজিজুলের অশেষ আন্তরিকতা—সবকিছু মিলেই টোলপ্লাজার আকাশটা ছিল অন্যরকম উজ্জ্বল। পড়ন্ত বিকেলের আলোয়, যখন মেঘনার তীরে রোদ ঝিমিয়ে পড়ত, তখনই আমাদের আড্ডা জমে উঠত। নদীর ঢেউয়ের সঙ্গে মিশে যেত হাসি, গল্প আর স্বপ্নের রঙিন ছটা। মনে হতো, পৃথিবীর সব ক্লান্তি গলে যাচ্ছে এই সান্ধ্য আড্ডার উষ্ণতায়। কিন্তু জীবন থেমে থাকে না। বিদায়ের বাঁকে এসে দাঁড়ালে, সময় আমাদের আলাদা পথে টেনে নিয়ে যায়। ছোট্ট জীবনে যত বিদায় জমেছে, তার ভাঁজে ভাঁজে এখন স্মৃতির ঝুড়ি পূর্ণ হয়ে উঠেছে। আর সেই ঝুড়ির গভীরে লুকিয়ে আছে আমাদের হাসি, আমাদের কথা, আমাদের বন্ধুত্বের অমলিন মুহূর্তগুলো। আজ যখন ফি...